শনিবার | ১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ



সত্যের পথে অবিচল | ২৪ ঘণ্টা বাংলা সংবাদ

পাউবির ত্রুটিপুর্ন স্লুইজ গেট নির্মানে ভারতের ইছামতি নদীর পানিতে শার্শার৫টি ইউনিয়ন প্লাবিত।

পাউবির ত্রুটিপুর্ন স্লুইজ গেট নির্মানে ভারতের ইছামতি নদীর পানিতে শার্শার৫টি ইউনিয়ন প্লাবিত।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাম খেয়ালী পনায় ত্রুটিপুর্ন স্লুইজ গেট নির্মানের কারনে ভারতের ইছামতি নদীর জোয়ারের পানিতে শার্শার দক্ষিনাঞ্চলের ৫ টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।


হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে পানির নিচে। উত্তর শার্শায়ও ঢুকে পড়েছে ভারতের উজানের পানি। উপজেলার পুটখালী, গোগা, উলাশী বাগআঁচড়া ও কায়বাসহ ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। ইছামতির সাথে সংযুক্ত রুদ্রপুর ও খলসী খালে ত্রুটিপুর্ন স্লুইজগেট নির্মানের ফলে ভারতের ইছামতি নদীর পানিতে এলাকা প্লাবিত হচ্ছে বলে চাষীদের অভিযোগ।

ইছামতির পানি ঠেকাতে রুদ্রপুর খালে দু’টি ও খলশী খালে একটি স্লুইজগেট নির্মান করা হয়েছে। কিন্তু ত্রুটিপুর্ন থাকায় তা কোনো কাজে আসছেনা। ফলে ঐ খাল দু’টি দিয়েই ভারতের পানি ঢুকে শার্শার বিস্তির্ন অঞ্চল প্লাবিত করছে। উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা শৌতম কুমার শীল জানান, ৫টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে ২০ হাজার ১৩১ হেক্টর জমিতে ফসল লাগানো হয়েছে।এতে ভারতের উজানের পানিতে ২ হাজার ৯ শ’ ৭০ হেক্টর জমির ধানপাট তরিতরকারিসহ সবজী ফসল তলিয়ে গেছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পুটখালী ইউনিয়নে এখানে ৪০০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে রয়েছে। কায়বায় ৩৫০ হেক্টর, গোগায় ২২৫ হেক্টর, বাগআঁচড়ায় ২৫০ হেক্টর ও উলশীতে ১২৫ হেক্টর জমির ফসল ভারতের উজানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে। এছাড়াও তিনি বলেন পানি এখনো বৃদ্ধি পাচ্ছে যে কারনে ক্ষতির পরিমান আরো বাড়তে পারে। তিনি আরো বলেন পানি আটকানোর বিষয়টি সম্পুর্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়ীত্ব এতে কৃষিবিভাগের কোন হাত নেই।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডল বলেন, আমি স্থানীয় চেয়ারম্যানদের মুখে শুনেছি ভারতের পানি রুদ্রপুর ও খলশী খাল দিয়ে ঢুকে ফসলের ক্ষতি করছে। তিনি আরো বলেন আমি এসিল্যান্ড ও ইন্জিয়ার সাহেবকে সাথে নিয়ে আজ ( মঙ্গলবার) সকালে পুটখালী ও বারোপোতার বিভিন্ন অঞ্চল পরিদর্শন করেছি,

এসময় পানির বাধা সৃষ্টি করতে পারে এমন ধরনের ৪ টি জালপাটা অপসারন করা হয়েছে এবং জালপাটা দিয়ে মাছ ধরায় ১ জনকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন ইছামতি নদীর পানির সমস্যাটা আন্তর্জাতিক ব্যাপার। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড ইচ্ছা করলে এর সমাধানের পথ খুজে বের করতে পারে। কয়েকজন চাষী জানিয়েছেন রুদ্রপুর ও খলশী খালে পাম্পসহ সয়ংক্রীয় গেট নির্মান করলে এর স্থায়ী সমাধান হবে এবং চাষীরা বারোমাস ঘরে ফসল তুলতে পারবেন।


Facebook Comments Box

Posted ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০

protidinerkushtia.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

মোঃ শামীম আসরাফ, সম্পাদক ও প্রকাশক
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় :

ঝাউদিয়া বাবলু বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া ফোনঃ +৮৮ ০১৭৬৩-৮৪৩৫৮৮ ই-মেইল: protidinarkushtia@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
error: Content is protected !!