শুক্রবার | ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ



সত্যের পথে অবিচল | ২৪ ঘণ্টা বাংলা সংবাদ

ভ্রাম্যমান অভিযানের নামে নাটক লোক দেখানো আল্টিমেটাম ফলাফল শূন্য

ভ্রাম্যমান অভিযানের নামে নাটক লোক দেখানো আল্টিমেটাম ফলাফল শূন্য

ভ্রাম্যমান অভিযানের নামে নাটক
লোক দেখানো আল্টিমেটাম ফলাফল শূন্যতা হলে প্রশাসন কি তাদের হাতে জিম্মি?


কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে উপজেলা একটি ঘন বসতিপূর্ন উপজেলা এখানে আট লাখের ও অধিক মানুষের বসবাস এবং সেখানে অধিকাংশ মানুষ জীবিকা নির্ভর করে কৃষি ও মাঠে চাষবাদের মাধ্যমে। কিন্তুু সেই সকল আবাদী জমিতে অবৈধভাবে নামে বেনামে গড়ে উঠেছে ২৬ টি ইট ভাটা যাদের নেই কোন বৈধ কাগজপত্র নেই কোন পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড় পত্র।

তার পরেও দিনের পর দিন অনায়াসে সেই সকল জমির ওপর কোন প্রকার বাধা বিপত্তি ছাড়াই চালানো হচ্ছে এসকল অবৈধ ইট ভাটা।
যার কারণে প্রতিনিয়ত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কৃষক সহ ভাটার আশেপাশে বসবাসরত মানুষ গুলো।
এমন হাজারো মানুষের ক্ষতি করে লাভবান হচ্ছে গুটিকয়েক সার্থ উন্মেষী মহল।

আবার এসকল ভাটাই ইট পোড়ানো কাজে জ্বালানি হিসেবে প্রতিদিন পোড়ানো হচ্ছে হাজারো মন কাঠ, এই কাট পোড়ানোর কারনে ভাটা থেকে নির্গত ধোঁয়ার জন্য দুষিত হচ্ছে পরিবেশ ও বাতাস আর এই ধোয়া অক্সিজেনের সাথে মিশে প্রবেশ করেছে মানব দেহে, যার কারনে শ্বাষ কষ্ট সহ নানা ধরনের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।


এবং ভাটা গুলোর জ্বালানির জন্য প্রতিদিন কাটা হচ্ছে অসংখ্য গাছ যেটা পরিবেশের জন্য সব চাইতে বেশি ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে করেন পরিবেশ বিদেরা।

এমন অনিয়ম কিন্তুু এক দিন ধরে চলছে না এ অনিয়ম চলে আসছে বছরের পর বছর, যে অনিয়ম দেখার মতো উপজেলা বা জেলার কোন প্রশাসকনিক কর্মকর্তা নেই । যদি তাই থাকতো তাহলে হয়তো-বা অনেক আগেই এ সকল অবৈধভাবে ভাবে গড়ে উঠা ইট ভাটা গুলো গুড়িয়ে নিঃসচিন্হ করে দেওয়া হতো।


অভিযোগ আছে ভাটা মালিকরা নাকি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এসকল অবৈধ ইট ভাটাগুলো চালাচ্ছ কোন প্রকার বাধা বিপত্তি ছাড়াই কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করছে।

এমন অবস্থায় জনমনে প্রশ্ন থেকেই যায় এই মোটা অংকের অর্থ যাচ্ছে কোথায় কারা এই অর্থ নিয়ে এসকল অবৈধ ইট ভাটা চালানোর নির্দেশ দিচ্ছে।

প্রক্ষান্তরে দেখা যায় বিভিন্ন সময় পত্র পত্রিকায় এ সকল অবৈধভাবে গড়ে উঠা ইট ভাটার সংবাদ প্রচার করা হলে প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিরা খানেক সময়ের জন্য নড়েচড়ে বসে এবং চালায় ঝুটিকা অভিযান যেটা অনেকটাই হাস্য রসের তামাশার মতো, তাছাড়াও সেখানে আল্টিমেটামও দিয়ে আসা হয় এবং এর পর থেকে এখানে কোন প্রকার গাছ যেনো না পোড়ানো হয় তার জন্যও দেয়া হয় কড়া নির্দেশ এবং ঐ সময় ভাটার আশেপাশে বোঝাই করা হাজারো মন গাছের গুড়ি সেখানে রেখে দিয়েই বলে আর যেন গাছ পোড়ানো না হয়।

এগুলো তামাশার কয়েকটি সর্ট কার্ট ছাড়া আর কিচ্চুনা।
জায়গার জিনিস জায়গাতেই থেকে যায় উনাদের মতো উনারাও চলে যায়।

ঘুরে ফিরে ফলাফল আসে শূন্য, যে নাটক আনেক আগে থেকেই দেখছে দর্শক হিসেবে সাধারণ মানুষ।

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ শারমিন আক্তারের সাথে প্রতিবেদক কথা বলে জানতে পরে দৌলতপুর উপজেলা ভাটা মালিক সমিতির লোকজন বিশ দিনের জন্য সময় নিয়েছেন এই বিশ দিনের মধ্যে তারা তাদের অবৈধভাবে গাছ পোড়ানো কর্মকাণ্ড গুলো বন্ধ করবে। যদি সেটা না করে তাহলে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যহত থাকবে বলে যানান তিনি।

তবে অবৈধভাবে গড়ে উঠা এ সকল ইট ভাটা গুলো কি করা হবে সেই বিষয় গুলো কিন্তুু এখনো ঘোর অন্ধকারেই রয়ে গেছে।

Facebook Comments Box

Posted ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০

protidinerkushtia.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

মোঃ শামীম আসরাফ, সম্পাদক ও প্রকাশক
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় :

ঝাউদিয়া বাবলু বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া ফোনঃ +৮৮ ০১৭৬৩-৮৪৩৫৮৮ ই-মেইল: protidinarkushtia@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
error: Content is protected !!