শনিবার | ৮ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ



সত্যের পথে অবিচল | ২৪ ঘণ্টা বাংলা সংবাদ

মেট লাইফ মোমিন এজেন্সির নামে দৌলতপুর থানায় অভিযোগ জমা

নিজশ্ব প্রতিনিধী

মেট লাইফ মোমিন এজেন্সির নামে দৌলতপুর থানায় অভিযোগ জমা

মেট লাইফ মোমিন এজেন্সির নামে দৌলতপুর থানায় অভিযোগ জমা


 

গ্রাহকের টাকা ফেরত না দেওয়ায় কুষ্টিয়ার মেটলাইফ মোমিন এজেন্সির মমিন ও মাঠ কর্মী কালামের নামে দৌলতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগটি মঙ্গলবার দুপুর ১ টার দিকে থানায় উপস্থিত হয়ে জমা দেন পিয়ারপুর ইউনিয়নের মাদিয়া গ্রামের মৃত হারেজ উদ্দিন সরকারের ছোট ছেলে বাবুল আক্তার সরকার।


অভিযোগ পত্রে বাবুল আক্তার উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে, কুষ্টিয়া মেটলাইফের মোমিন এজেন্সির, মোমিন ও মাঠ কর্মী কালামের প্রলোভনে পড়ে বাৎসরিক ১৭৮০৮/= টাকা মূল্যের একটি বীমা চালু করেন সে, যাহার নাম্বার ২৬৪৭৪৭৬

২০১৬ সাল থেকে বীমা বন্ধ করার আগ পর্যন্ত মোট ছয়টি প্রিমিয়ামে জমা করেন ভুক্তভোগী বাবুল আক্তার যার মোট টাকার অংক দাঁড়ায়১০৬০০০/=


অতি মহামারী করোনা কাল ২০২২ সালের দিকে বাবুল আক্তার আর্থিক সংকটে পড়লে মেট লাইফ কুষ্টিয়ার মোমিন এজেন্সিতে করা বিমা বন্ধ করে দিয়ে জমানো টাকা উত্তোলন করতে চাই।

কিন্তু বিমা ভাঙ্গার পরে বাবুল আক্তার জানতে পারে তার একাউন্টে মাত্র ৯০০০/= টাকা জমা আছে।

পরে ভুক্তভোগী বাবুল আক্তার এমন অসম হিসাব-নিকাশের কারণ জানতে চাইলে মেট লাইফ কুষ্টিয়ার মোমিন এজেন্সির মোমিন তাকে জানান, তার পূর্ণ টাকা আর ফেরৎ দেওয়া হবে না এটা কোম্পানির নিয়ম।

এদিকে বাবুল আক্তার দাবি করে বলেন, তিন বছর বিমা চালানোর পরে যে কোন সময় যদি বিমা বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে গ্রাহক সম্পূর্ণ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন যেটা মাঠ কর্মী কালাম ও মোমিন নিজেই বলেছিলো।

কিন্তু ছয় বছর বিমার টাকা সঠিকভাবে দেওয়ার পরেও মূল টাকা ফেরত দিচ্ছে না কুষ্টিয়া মেটলাইফ ইন্সুরেন্স মোমিন এজেন্সির, মোমিন ও কালাম।
পূর্ণাঙ্গ টাকা বুঝে পেতে চাইলেই তারা প্রতিনিয়ত আশ্রয় নিচ্ছে বিভিন্ন রকমের তালবাহানা ও প্রতারণার।

প্রতারণার শিকার এমন বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী গ্রাহকের সাথে কথা বলেও জানা যায় যে, বিভিন্ন রকমের মোটা অংকের অর্থের প্রলোভন ও সুযোগ-সুবিধা দেখিয়ে মোমিন এজেন্সির মাঠ কর্মীরা গ্রহক সংগ্রহ করে আনেন ভ্যান, রিকশা চালক থেকে শুরু করে সমাজের উচ্চ শ্রেনীর মানুষ পর্যন্ত ।

তারা যখন সাধারন জনগণকে তাদের গ্রাহক আওতায় আনেন তখন বিভিন্ন রকম সুযোগ সুবিধার লোভ দেখানো হয় অথচ একটি পর্যায়ে যেয়ে সাধারণ জনগণকে গুনতে হয় লোকসানের হিসাব।

আর এভাবেই বাবুল আক্তারের মতো কুষ্টিয়া জেলায় শতশত বাবুল আক্তার প্রতারিত হচ্ছে এই এজেন্সির মাধ্যমে আর এজেন্সি গুলো হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। চড়ছেন দামি গাড়িতে ও থাকছেন বিলাসবহুল বাড়িতে, আর বসছেন পরিমল টাওয়ারের মত ভিআইপি যায়গায় এসি লাগানো অফিসে।

এই সকল সাজসজ্জার কারণেই সাধারণ জনগণ তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে ফাঁদে।
আর এমন ফাঁদে পড়েই সর্ব শান্ত হচ্ছে সহজ-সরল মনা মানুষগুলো।

অভিযোগ পত্রের বিষয় দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম জাবীদ হাসান জানান, কুষ্টিয়ার মেট লাইফ ইন্সুইরেন্সের মোমিন এজেন্সির মোমিন ও কালামের নামে গ্রাহক প্রতারণার বিষয়ে বাবুল আক্তার নামে এক ব্যাক্তি একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মেট লাইফ কুষ্টিয়ার মোমিন এজেন্সির মোমিনের সাথে গণমাধ্যম কর্মীরা কথা বললে তিনি জানান, এরই মধ্যে মেটলাইফ ইন্সুরেন্স দৌলতপুরের আল্লারদর্গা জনতা ব্যাংক ব্রাঞ্চে বাবুল আক্তারের নিজ নামীয় একটি হিসাব নম্বরে ২৬৩২৯/= টাকা প্রদান করেছেন বাকী ৮০৫১৯/= টাকা কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী কেটে নিয়েছে। কি নিয়ম কানুন এ বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি তার কোন উত্তর না দিয়ে সকল প্রকার প্রশ্ন এড়িয়ে যান।

Facebook Comments Box

Posted ৭:৪৩ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট ২০২২

protidinerkushtia.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

মোঃ শামীম আসরাফ, সম্পাদক ও প্রকাশক
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় :

ঝাউদিয়া বাবলু বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া ফোনঃ +৮৮ ০১৭৬৩-৮৪৩৫৮৮ ই-মেইল: protidinarkushtia@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
error: Content is protected !!