শনিবার | ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ



সত্যের পথে অবিচল | ২৪ ঘণ্টা বাংলা সংবাদ

দিনাজপুরে দুদকের ২৪ টি মামলায় ২ জন হাজতে

মোসলেম উদ্দিন, হিলি দিনাজপুর।

দিনাজপুরে দুদকের ২৪ টি মামলায় ২ জন হাজতে
দিনাজপুরের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর ২০১৯ সালের ২৪ টি মামলায় ৩১ জন গ্রেপ্তার এবং ২ জন জেল হাজতে রয়েছে। আবার করোনার প্রাদুর্ভাবে ২০২০ সালে মামলা ও তদন্তের তেমন অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন সমন্বিত দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক এ.এইচ আশিকুর রহমান বাধন।
দিনাজপুর দুদক কার্যালয়ের সুত্রে জানা যায়, গত ৯ জুলাই ২০১৯ সালে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মৎস কর্মকর্তা রেজাউল করিম সরকার কে ঘুষ গ্রহনের সময় হাতে নাতে আটক করে সমন্বিত দিনাজপুর দনর্িীতি দমন কমিশন।
১৭ জুলাই ২০১৯ সালে ঘুষসহ জেলার সেটেলমেন্ট অফিসের পেশকার শহিদুল ইসলাম ও আপিল অফিসার স ম আসাদুজ্জামান ফেরদৌসকে গ্রেপ্তার করেন দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন।
৩০ জুলাই ২০১৯ সালে ঘুষ গ্রহনকালে ৬০ হাজার টাকাসহ জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দিনাজপুর ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনকে গ্রেপ্তার করে দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
১৫ নভেম্বর ২০১৯ সালে সমন্বিত দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান চালিয়ে ৫ টি ভুয়া প্রকল্প তৈরি ৬ মেট্রিকটন চাল আত্মসাতের অভিযোগে এক ইউপি চেয়ারম্যান সহ ৫ জন সরকারী কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেন।
১১ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে সমন্বিত দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালযের দায়ের করা মামলায় দিনাজপুর জেলা মৎস্য অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল ইসলাম এবং ঠিকাদার আফসার আলীকে আটক করেন দিনাজপুর দুদক।
দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর উপ-পরিচালক এ.এইচ আশিকুর রহমান বাধন জানান, আমি ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে এই জেলায় যোগদান করেছি। ১৯ সালে ২৪ টি মামলায় ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তার মধ্যে বর্তমান ২ জন হাজতে রয়েছে। বাঁকিরা হাইকোট এবং নিম্ন আদালত থেকে জামিনে আছে। ২০ সালে করোনার কারণে মামলার সংখ্যা কমে গেছে। করোনায় নরমাল মামলাগুলো আমরা করি নাই।
তিনি আরও জানান, বর্তমান দিনাজপুর এ্যাকাউন্টস অফিসে ২ কোটি টাকারও বেশি বড় একটি মামলা তদন্ত আমার হাতে আছে। সিনিয়র নার্স একটা পদ তৈরি করে রাষ্টের ২ কোটি ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের একটি প্রথমিক ভাবে একটা মামলা করা হয়েছে। এইটি তদন্ত আমি নিজে আছি, তদন্ত শেষে আসামির সংখ্যা বাড়তে পারে।
এদিকে ঘোড়াঘাটে করোনাকালীন চাল আত্মসাতের একটি তদন্ত চলতিছে। আবার নবাগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়ে ছিলো। তাকে গ্রেপ্তার করেছিলাম এবং তার চার্জশীট হয়ে যাবে।
Facebook Comments Box


Posted ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১৩ মার্চ ২০২১

protidinerkushtia.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

মোঃ শামীম আসরাফ, সম্পাদক ও প্রকাশক
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় :

ঝাউদিয়া বাবলু বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া ফোনঃ +৮৮ ০১৭৬৩-৮৪৩৫৮৮ ই-মেইল: protidinarkushtia@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
error: Content is protected !!