কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের নদীরকুল মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ আবুল হোসেন (৬৫) পিতাঃ মৃত কাশেম মালিথা। আবুল হোসেন ছিল পেশায় একজন দিনমজুর । ২ মেয়ে স্ত্রী নিয়ে চলতো শত অভাবে টানা পুড়নের সংসার। আবুল হোসেন সহজ সরল একজন সাদা মনের মানুষ। দিনমজুরী করেই তার ২ মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। জীবনে কখনো কারো কাছে হাত পাততে হয়নি।জীবনের আজ পড়ন্ত বেলায় দুরারোগ্য ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে জীবনের গল্পটা আজ বিষাদময়। ৩ বছর আগে হাঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেন,
অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয় সেখানে ধরা পড়ে মরন ব্যাধি ক্যান্সার। টাকা পয়সা যা ছিল চিকিৎসা করাতেই শেষ। পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যাক্তিটি কর্মহীন হয়ে পড়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরজমিনে আবুল হোসেনের বাড়ীতে গেলে দেখা যায় অসুস্থ আবুল হোসেন বিছানায় শুয়ে আছে। ব্লাড ক্যান্সার রোগের তীব্রতায় সারা সরীরে দেখা দিয়েছে ঘা, তা থেকে পড়ছে পুৃঁজ।
আবুল হোসেন কাঁদতে কাঁদতে জানান, ৩ বছর হলো কোন কর্মই করতে পারি না। টাকা পয়সা যা ছিল চিকিৎসা করতেই শেষ। ৩ মাস পর পর শরীরে নিতে হয় ৪ ব্যাগ রক্ত। যেখানে পরিবারের দু বেলা দু মুঠো খাবারই যোগাড় করতে পারি না সেখানে চিকিৎসা করবো কিভাবে। টাকা কই পাবো ওষুধ কিনবো। এলাকাবাসী জানান,আবুল হোসেন দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। টাকা পয়সার অভাবে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই অসহায় আবুল হোসেনের পরিবার ও এলাকাবাসী সমাজের দানশীল ও বিত্তবান ব্যাক্তিদের মানবিক সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। প্রয়োজনে যোগাযোগঃ 01832-670613
Posted ৫:১২ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
protidinerkushtia.com | faroque