বুধবার | ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ



সত্যের পথে অবিচল | ২৪ ঘণ্টা বাংলা সংবাদ

সীমান্তবর্তী জেলা কুষ্টিয়ায় জুন মাসজুড়ে ছিল করোনার দাপট

মোঃ গোলাম কিবরিয়া (জীবন)

সীমান্তবর্তী জেলা  কুষ্টিয়ায় জুন মাসজুড়ে ছিল করোনার দাপট

কুষ্টিয়ায় মে মাসের শেষ সপ্তাহে করোনার চিত্র ছিল স্বাভাবিক। সবকিছু ঠিকমতো চলছিল। হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশনে রোগী ভর্তি ছিলেন সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন। চিকিৎসক, নার্স ও স্বেচ্ছাসেবকেরা তাঁদের সেবা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ করে সেই চিত্র বদলে গেল।


জুন মাসজুড়ে করোনার দাপটে নাজেহাল হলো কুষ্টিয়া। জুনের শুরুর দিকে হু হু করে বাড়তে থাকে রোগী। মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হতে থাকে। প্রতিদিন চলে রোগী শনাক্তের রেকর্ড ভাঙা আর গড়া। জুনের মাঝামাঝি থেকে জেলায় চলাচলে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। শেষ সপ্তাহে আসে লকডাউন।

কিন্তু তত দিনে জেলার আনাচেকানাচে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়ে।  গতকাল বুধবার মাসের শেষ দিনে জেলায় এক দিনে সর্বোচ্চ ৮৩০টি নমুনা পরীক্ষায় ৩২৪ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়।

নমুনা অনুপাতে শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ। মৃত্যু হয় ৯ জনের। জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির দেওয়া জুন মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জেলায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৫০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে জুন মাসের ৩০ দিনে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৭২ জনের। এখন পর্যন্ত করোনায় মোট মারা গেছেন ২১১ জন, এর মধ্যে জুন মাসে মারা গেছেন ৯৯ জন।


করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রোগীর চাপ সামাল দিতে ২৫ জুন থেকে ২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেডেট ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে সেখানে ২ শতাধিক করোনা রোগী চিকিৎসাধীন। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক আক্রামুজ্জামান মিন্টু প্রতিদের কুষ্টিয়া কে বলেন, প্রতি ঘরে করোনা পৌঁছে গেছে। সঠিকভাবে ও দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এই কাজটা গ্রামের মানুষ করছেন না। এতেই মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।


কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবিরের মতে, ‘এখন আর কোনো দোষারোপ না করে কাজে মনোযোগ দিতে হবে। গ্রামের প্রতি ঘরে ঘরে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সবাইকে খোঁজ নিতে হবে। কারও জ্বর, ঠান্ডা, কাশি জাতীয় উপসর্গ দেখা দিলেই তাঁকে আইসোলেশনে রাখতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসা নিতে যত দেরি হবে, মৃত্যুর ঝুঁকি তত বাড়বে।’

জেলার সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, জুনে করোনার দাপট বাড়বে, এমন একটা ধারণা পাওয়া গিয়েছিল। তবে এতটা হবে, সেটা কল্পনার বাইরে ছিল। মানুষকে সচেতন করা ছাড়া আর করোনা মোকাবিলার কোনো পথ নেই।

Facebook Comments Box

Posted ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০১ জুলাই ২০২১

protidinerkushtia.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় :

কুষ্টিয়া চোরহাস মোড়, কুষ্টিয়া
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৬৩-৮৪৩৫৮৮
ই-মেইল: protidinarkushtia@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
error: Content is protected !!

Jaxx Wallet Download

Jaxx Liberty Wallet

Atomic Wallet

Atomic Wallet Download

gem visa login

gem visa australia