মোঃ সামরুজ্জামান (সামুন) কুষ্টিয়া।
চুয়াডাঙ্গা জেলার ভোদুয়া গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমানের মেয়ে উর্মি, যার গাওয়া গান ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।
ঝিনাইদহ মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জেল হোসেন ম্যাটসের প্রথম বর্ষের ছাত্রী উর্মি বয়স মাত্র (১৯) বছর। উর্মি ক্লাসের ফাঁকে বন্ধুদের গান শোনায়, স্যারদের গান শোনায়। কলেজের সব অনুষ্ঠানে গান গায়।
এই বয়সেই লালনের গান গেয়ে হাজারো মানুষের মন জয় করে উর্মি নাম হয়েছে ‘উর্মি বাউল’। সে কখনো গান শিখে নাই লোকমুখে গান শুনে সেই গান করে।
উর্মি বাবা একজন কৃষক। তিনি বললেন, ‘উর্মির একটি কনসার্টে আমি গিয়েছিলাম। উর্মি সেদিন মঞ্চে উঠে ৩টি গান করে ছিলো উর্মির গানে সবার মনে অনেক আনন্দ ও দুলা দিয়েছিল ওটা আমি অনুভব করেছিলাম। আর সেদিন থেকে আমি মনে মনে ভাবি আমার মেয়ে একদিন বড় শিল্পী হবে। তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ে ধীরে ধীরে তার গন্তব্যে যাক।
সেই থেকে শুরু। এপর্যন্ত ১০০টিরও বেশি অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেছে উর্মি।
উর্মি আমাদেরকে জানালো, ‘আমার পরিবারের কেউ গান করে না। একমাত্র আমি গান করায় সবাই আমাকে খুব উৎসাহ দেয়। বড় হয়ে আমি গুণী শিল্পী হতে চাই। ’
আমরাও চায় ‘ উর্মি বাউল’ একদিন গান গেয়ে বাংলাদেশের প্রাণের গান পৌঁছে দিক বিশ্ব দরবারে। এ শিল্পীকে সঠিক পরিচর্যায় গড়ে তুলতে সঠিক মাধ্যমের ব্যক্তিরা এগিয়ে আসুক।
Posted ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২০
protidinerkushtia.com | editor